টাঙ্গাইল র্যাব কোম্পানীর কমান্ডার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বীণা রানী দাস এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, উত্তর হুগড়া গ্রামের রুবেলের পিতা দুখুর উদ্দিন গত ৯/১০ বছর পূর্বে মারা যায়। এর পর রুবেল তার মা জুলেখা বেগম কে নিয়ে অটো চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। এক পর্যায়ে গ্রেফতারকৃত আসামী মোস্তফা তার সৎ মা কে জোড়পূর্বক নিকাহ করে বাড়ীতে অবস্থান করেন। রুবেল তাকে বাড়ী ছেড়ে চলে যেতে বলে এ নিয়ে রুবেলের সাথে মোস্তফার কথা-কাটাকাটি ও মনমালিন্য সৃষ্টি হয়। এসময় মোস্তফা রুবেলকে মেরে ফেলার হুমকী প্রদান করেন। পরে গত ২৮জুন রাত সাড়ে ৯টার দিকে রুবেল ঢোলবাড়ী ইরিদাহ এলাকার চকের মধ্য দিয়ে আসার সময় পূর্ব থেকে উৎপেতে থাকা মোস্তফা, সেলিম, ময়নাল সাইফুল তার হাত-পা চেপে ধরে। এসময় মাসুদ চাপাতী দিয়ে কোপাতে থাকে। পরে রুবেলের মৃত্যু নিশ্চিত করে একটি পুরাতন বস্তায় ভরে কাঁচা রাস্তার ধারে মাটি খুঁড়ে পুতে রেখে পালিয়ে যায়। পরে র্যাব সদস্যরা হত্যাকান্ডটি উৎঘাটন করতে অভিযান চালায়। অভিযানে মূল পরিকল্পনাকারী মোস্তফা সহ তিন জনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। অপর দুই আসামী পলাতক রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১ জুলাই শনিবার সকালে স্থানীয় লোকজন উত্তর হুগড়া রাস্তার পাশে মাটির নিচে পুতে রাখা অবস্থায় একটি লাশ দেখে পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। ২/৩দিন আগে রুবেলকে দুর্বৃত্তরা হত্যা করে লাশ মাটিতে পুতে রেখেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারনা করেছিল পুলিশ।




